স্থির তড়িৎ বিজ্ঞানের মূল ভিত্তি কুলম্বের সূত্র এবং তড়িৎ ক্ষেত্রের প্রাবল্য সম্পর্কে জানুন। এই আর্টিকেলে গাণিতিক ব্যাখ্যাসহ পরীক্ষার উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল প্রশ্ন ও সমাধান আলোচনা করা হয়েছে। স্থির তড়িৎ বিজ্ঞানের ভিত্তি: কুলম্বের সূত্র আপনি যদি ইলেকট্রনিক্স, পদার্থবিজ্ঞান বা তড়িৎ প্রকৌশল নিয়ে পড়তে চান, তবে এই সূত্রটি আপনার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শুরুর বিন্দু। কুলম্বের সূত্র কী? (What is Coulomb's Law?) ১৭৮৫ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী চার্লস অগাস্টিন ডি কুলম্ব দুটি আহিত বস্তুর (Charged objects) মধ্যে কাজ করা আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল নিয়ে একটি সূত্র প্রদান করেন। তার নামানুসারেই একে কুলম্বের সূত্র বলা হয়। সহজ কথায়: "দুটি স্থির বিন্দু চার্জের মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান চার্জ দুটির গুণফলের সমানুপাতিক এবং তাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।" গাণিতিক রূপ কুলম্বের সূত্রটিকে আমরা নিচের সমীকরণের মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারি: $$F = k \frac{q_1 q_2}{r^2}$$ এখানে: $F$: চার্জ দুটির মধ্যে কার্যকর স্থির তড়িৎ বল। $q_1, q...
SSC ও HSC শিক্ষার্থীদের জন্য আলোর প্রতিসরণ, স্নেলের সূত্র এবং প্রতিসরাঙ্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও গাণিতিক সমস্যার সমাধান। বিজ্ঞান ও প্রকৃতির এক বিস্ময়কর ঘটনার নাম আলো। আমরা আমাদের চারপাশে যা কিছু দেখি, তার মূলে রয়েছে আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণ। দৈনন্দিন জীবনে আমরা অনেক সময় দেখি গ্লাসের পানিতে রাখা একটি পেনসিল বা কলম ওপর থেকে দেখলে বাঁকা মনে হয়, কিংবা পুকুরের স্বচ্ছ পানি দেখে যতটা অগভীর মনে হয়, আসলে সেটি তার চেয়ে অনেক বেশি গভীর। এই সাধারণ কিন্তু কৌতূহল উদ্দীপক ঘটনাগুলোর পেছনে যে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কাজ করে, সেটিই হলো আলোর প্রতিসরণ। আধুনিক অপটিক্যাল ফাইবার থেকে শুরু করে আমাদের চোখের চশমা—সবখানেই প্রতিসরণের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রকৃতিতে আলো সাধারণত সমসত্ব ও স্বচ্ছ মাধ্যমে সরলরেখায় চলে। কিন্তু যখন আলোক রশ্মি একটি স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য একটি স্বচ্ছ মাধ্যমে (যেমন বায়ু থেকে পানি বা কাচ) তির্যকভাবে প্রবেশ করে, তখন মাধ্যম দুটির বিভেদ তলে আলোর গতির দিক পরিবর্তিত হয়। আলোর এই দিক পরিবর্তন বা বেঁকে যাওয়ার ঘটনাকেই আলোর প্রতিসরণ বলা হয়। ১. প্রতিসরণ সংশ্লিষ্ট বিভিন...