আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা: চিত্রসহ সহজ গাণিতিক প্রতিপাদন ও গাইড
উচ্চমাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্রের 'আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা' অধ্যায়ের মাইকেলসন-মরলি পরীক্ষা, আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কাল দীর্ঘায়ন ও আলোকতড়িৎ ক্রিয়ার সহজ গাণিতিক ব্যাখ্যা ও সমাধান। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের পরিচয় বিংশ শতাব্দীর সূচনালগ্নে পদার্থবিজ্ঞানের এক নতুন যুগের সূচনা ঘটে, যা আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান নামে পরিচিত। ক্লাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞানে পদার্থ ও শক্তিকে যেভাবে ব্যাখ্যা করা হতো, নতুন আবিষ্কারগুলো সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করে। ১৮৯৭ সালে জে. জে. থমসন ইলেকট্রনের আবিষ্কার করেন। এর ফলে প্রমাণিত হয় যে পরমাণু অবিভাজ্য নয়। পরবর্তীতে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক -এর কোয়ান্টাম তত্ত্ব (১৯০০) এবং আলবার্ট আইনস্টাইন -এর আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (১৯০৫) আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করে। প্রসঙ্গ কাঠামো (Frame of Reference) কোন বস্তুর অবস্থান বা বেগ নির্ণয়ের জন্য যে ত্রিমাত্রিক স্থানাঙ্ক ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয় তাকে প্রসঙ্গ কাঠামো বলা হয়। পদার্থবিজ্ঞানে পরম স্থিরতা বা পরম গতি বলে কিছু নেই। সব ধরনের গতি ও স্থিরতা আপেক্ষিক। প্রসঙ্গ কাঠামোর ...